Search This Blog

Featured Post

বুখারি হাদিস নং ১৭৭৩ – সাওমের ফজিলত।

হাদীস নং ১৭৭৩ আবদুল্লাহ ইবনে মাসলাম রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : সিয়াম ঢাল স্বরূপ। ...

Total Pageviews

Powered by Blogger.

Pages

Komentar

Paling Dilihat

Saturday, July 15, 2017

বুখারি হাদিস নং ১৭৭৩ – সাওমের ফজিলত।


হাদীস নং ১৭৭৩
আবদুল্লাহ ইবনে মাসলাম রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : সিয়াম ঢাল স্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মত কাজ করবে না। যদি কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুইবার বলে, আমি সাওম পালন করছি। ঐ সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই সাওম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিসকের গন্ধের চাইতেও উৎকৃষ্ট, সে আমার জন্য আহার, পান ও কামাচার পরিত্যাগ করে। সিয়াম আমারই জন্য। তাই এর পুরস্কার আমি নিজেই দান করব। আর প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময়ে দশ গুণ।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭১


হাদীস নং ১৭৭১
মুসাদ্দাদ রহ……..ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিন সিয়াম পালন করেছেন এবং এ সিয়ামের জন্য আদেশও করেছেন। পরে যখন রমযানের সিয়াম ফরয হল তখন তা ছেড়ে দেওয়া হয়। আব্দুল্লাহ রহ. এ সিয়াম পালন করতেন না, তবে মাসের যে দিনগুলোতে সাধারণ সিয়াম পালন করতেন, তার সাথে মিল হলে করতেন।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭০ – রমযানের সাওম ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে।


হাদীস নং ১৭৭০
কুতাইবা ইবনে সাঈদ রহ…….তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত যে, এলোমেলো চুলসহ একজন গ্রাম্য আরব নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন । তারপর বললেন : ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমাকে বলুন, আল্লাহ তা’আলা আমার উপর কত সালাত ফরয করেছেন ? তিনি বললেন : পাঁচ (ওয়াক্ত) সালাত; তবে তুমি যদি কিছু নফল আদায় কর তা স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন :বলুন, আমার উপর কত সিয়াম আল্লাহ তা’আলা ফরয করেছেন? নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : রমযান মাসের সাওম; তবে তুমি যদি কিছু নফল সিয়াম আদায় করা তা হল স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন : বলুন, আল্লাহ আমার উপর কি পরিমাণ যাকাত ফরয করেছেন ? রাবী বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইসলামের বিধান জানিয়ে দিলেন। এরপর তিনি বললেন : ঐ সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য দিয়ে সম্মানিত করেছেন, আল্লাহ আমার উপর যা ফরয করেছেন, আমি এর মাঝে কিছু বাড়াব না এবং কমাবও না। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : সে সত্য বলে থাকলে সফলতা লাভ করল কিংবা বলেছেন, সে সত্য বলে থাকলে জান্নাত লাভ করল।

বুখারি হাদিস নং ১৮৭৫


হাদীস নং ১৮৭৫
আবুল ইয়ামান রহ……..আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে আশুরার দিনে সাওম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন, পরে যখন রমযানের সাওম ফরয করা হল তখন যার ইচ্ছা (আশুরার) সাওম পালন করত আর যার ইচ্ছা করত না।

বুখারি হাদিস নং ১৮৫৮ – কারো সাথে সাক্ষাত করতে গিয়ে (নফল) সাওম ভঙ্গ না করা।


হাদীস নং ১৮৫৮
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না রহ……….আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার মাতা) উম্মে সুলাইম রা.-এর ঘরে আগমন করলেন। তিনি তাঁর সামনে খেজুর ও ঘি পেশ করলেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমাদের ঘি মশকে এবং খেজুর তার বরতনে রেখে দাও। কারণ আমি রোযাদার। এরপর ঘরের এক পাশে গিয়ে নফল সালাত আদায় করলেন এবং উম্মে সুলাইম রা. ও তাঁর পরিজনের জন্য দু’আ করলেন। উম্মে সুলাইম রা. আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমার একটি ছোট ছেলে আছে। তিনি বললেন : কে সে ? উম্মে সুলাইম রা. বললেন, আপনার খাদেম আনাস । তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণের দু’আ করলেন। তিনি বললেন : হে আল্লাহ ! তুমি তাকে মাল ও সন্তান-সন্ততি দান কর এবং তাকে বরকত দাও। আনাস রা. বলেন, আমি আনসারগণের মধ্যে অধিক সম্পদশালীদের একজন এবং আমার কন্যা উমায়না আমাকে জানিয়েছে যে, হাজ্জাজ (ইবনে ইউসুফ) -এর বসরায় আগমনের পূর্ব পর্যন্ত একশত বিশের অধিক আমার নিজের সন্তান মারা গেছে।

বুখারি হাদিস নং ১৮৩৫ – রমযানে ইফতারের পরে যদি সূর্য দেখা যায়।


হাদীস নং ১৮৩৫
আবদুল্লাহ ইবনে আবু শায়বা রহ……….আসমা বিনতে আবু বকর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একবার মেঘাচ্ছন্ন দিনে আমরা ইফতার করলাম, এরপর সূর্য দেখা যায় । বর্ণনাকারী হিশামকে জিজ্ঞাসা করা হল, তাদের কি কাযা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল? হিশাম রহ. বললেন, কাযা ছাড়া উপায় কি ? (অপর বর্ণনাকারী) মামার রহ. বলেন, আমি হিশামকে বলতে শুনেছি, তাঁরা কাযা করেছিলেন কি না তা আমি জানিনা।

সাওম অধ্যায় (১৭৭০-১৮৮১) বুখারি হাদিস নং ১৮১৩ – রমযানে রোযাদার অবস্থায় যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাস করেছে সে ব্যক্তি কি কাফফারা থেকে তার অভাবগ্রস্ত পরিবারকে খাওয়াতে পারবে ?


হাদীস নং ১৮১৩
উসামান ইবনে আবু শায়বা রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, এই হতভাগা স্ত্রী সহবাস করেছে রমযানে। তিনি বলেলেন : তুমি কি একটি গোলাম আযাদ করতে পারবে ? লোকটি বলল, না। তিনি বললেন : তুমি কি ক্রমাগত দু’ মাস সিয়াম পালন করতে পারবে ? লোকটি বলর, না। তুমি কি ষাটজন মিসকীন খাওয়াতে পারবে ? সে বলল, না। এমতাবস্থায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক আরাক অর্থাৎ এক ঝুড়ি খেজুর এল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এগুলো তোমার তরফ থেকে লোকদেরকে আহার করাও। লোকটি বলল, আমার চাইতেও অধিক অভাবগ্রস্ত কে ? অথচ মদীনার উভয় লাবার অর্থাৎ হাররার মধ্যবর্তী স্থলে আমার পরিবারের চাইতে অধিক অভাবগ্রস্ত কেউ নেই। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তাহলে তোমার পরিবারকেই খাওয়াও।